নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত হেড টু হেড রেকর্ড ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই বেশ আকর্ষণীয় একটি পরিসংখ্যান। দুই দল টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের মুখোমুখি হয়ে আসছে। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে মোট ২১৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ভারত জিতেছে ১০৪টি ম্যাচ এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৭৯টি ম্যাচ। বাকি ম্যাচগুলো ড্র, টাই অথবা নো-রেজাল্ট হিসেবে শেষ হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটে ভারত ২২টি জয় নিয়ে এগিয়ে থাকলেও নিউজিল্যান্ডের ১৬টি জয়ও তাদের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রমাণ। ওয়ানডেতেও ভারত ৬৩-৫২ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে, আর টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ব্যবধান আরও পরিষ্কার। ফলে সামগ্রিক হেড টু হেড রেকর্ডে ভারত এগিয়ে থাকলেও নিউজিল্যান্ড বিভিন্ন সময়ে বড় মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে।
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত হেড টু হেড রেকর্ড এক নজরে
টেস্টে দুই দল ৬৫ বার মুখোমুখি হয়েছে এবং ভারত জিতেছে ২২টি ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের জয়সংখ্যা ১৬টি, আর ২৭টি টেস্ট ড্র হয়েছে। ওয়ানডেতে লড়াই হয়েছে ১২৩ বার, যেখানে ভারত ৬৩টি এবং নিউজিল্যান্ড ৫২টি ম্যাচ জিতেছে। এই ফরম্যাটে একটি ম্যাচ টাই এবং সাতটি ম্যাচ নো-রেজাল্ট হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে দুই দল ৩১ বার মুখোমুখি হয়েছে এবং ভারত জিতেছে ১৯টি ম্যাচ। নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টিতে ১১টি জয় পেয়েছে এবং একটি ম্যাচ টাই হয়েছে। সব ফরম্যাট মিলিয়ে ভারতের জয় ১০৪টি, বিপরীতে নিউজিল্যান্ডের জয় ৭৯টি। তাই সামগ্রিক পরিসংখ্যানে ভারত এগিয়ে থাকলেও দুই দলের লড়াইয়ের ইতিহাসে নিউজিল্যান্ডও যথেষ্ট সফল দল।
| ফরম্যাট | মোট ম্যাচ | ভারত জয় | নিউজিল্যান্ড জয় | ড্র/টাই/নো-রেজাল্ট |
|---|---|---|---|---|
| টেস্ট | ৬৫ | ২২ | ১৬ | ২৭ ড্র |
| ওয়ানডে | ১২৩ | ৬৩ | ৫২ | ৭ নো-রেজাল্ট, ১ টাই |
| টি-টোয়েন্টি | ৩১ | ১৯ | ১১ | ১ টাই |
| মোট | ২১৯ | ১০৪ | ৭৯ | ৩৬ |
টেস্টে নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত রেকর্ড
টেস্ট ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত হেড টু হেডে ভারত জয়সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে। দুই দল এখন পর্যন্ত ৬৫টি টেস্ট খেলেছে, যার মধ্যে ভারত জিতেছে ২২টি এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১৬টি। ২৭টি ম্যাচ ড্র হয়েছে, যা দুই দলের টেস্ট ইতিহাসে একটি বড় অংশ। ভারতের জয় শতাংশ মোট ম্যাচের হিসাবে প্রায় ৩৩.৮৫ শতাংশ। নিউজিল্যান্ডের জয় শতাংশ একই হিসাবে প্রায় ২৪.৬২ শতাংশ।
তবে সাম্প্রতিক টেস্ট ইতিহাসে নিউজিল্যান্ড ভারতের বিপক্ষে বিশেষ কিছু সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ভারত সফরে নিউজিল্যান্ড তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল। ওই সিরিজের পর দুই দলের টেস্ট লড়াই আরও আলোচিত হয়েছে এবং নিউজিল্যান্ডের সাম্প্রতিক সাফল্য হেড টু হেড বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত রেকর্ড
ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি লড়াই দীর্ঘ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দুই দল এখন পর্যন্ত ১২৩টি ওয়ানডে খেলেছে, যেখানে ভারত জিতেছে ৬৩টি এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৫২টি। সাতটি ম্যাচ কোনো ফল ছাড়াই শেষ হয়েছে এবং একটি ম্যাচ টাই হয়েছে। মোট ম্যাচের হিসাবে ভারতের জয় শতাংশ প্রায় ৫১.২২ শতাংশ। নিউজিল্যান্ডের জয় শতাংশ প্রায় ৪২.২৮ শতাংশ, ফলে ব্যবধান খুব বেশি নয়।
২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। এরপর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পায়। তাই ঐতিহাসিক রেকর্ডে ভারত এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক ওয়ানডে ফলাফল দুই দলের লড়াইকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।
টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের হেড টু হেড রেকর্ড তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী। দুই দল এখন পর্যন্ত ৩১টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। ভারত জিতেছে ১৯টি ম্যাচ এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১১টি ম্যাচ। একটি ম্যাচ টাই হয়েছে এবং কোনো ম্যাচ নো-রেজাল্ট হিসেবে শেষ হয়নি। ফলে ভারতের জয় শতাংশ প্রায় ৬১.২৯ শতাংশ এবং নিউজিল্যান্ডের জয় শতাংশ প্রায় ৩৫.৪৮ শতাংশ।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দুই দল পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল এবং ভারত সিরিজটি ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল। ওই সিরিজের চারটি ম্যাচে ভারত জয় পেলেও নিউজিল্যান্ড একটি ম্যাচে ৫০ রানে জয় পেয়েছিল। ২০২৬ সালের ৮ মার্চ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে।
ভারতের শক্তির জায়গা ওপারফর্মেন্স
ভারতের অন্যতম বড় শক্তি হলো তিন ফরম্যাটেই তাদের দীর্ঘদিনের ক্রিকেট অবকাঠামো এবং বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা। ব্যাটিং বিভাগে ভারত সাধারণত একাধিক ম্যাচ-জয়ী খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করতে পারে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের ব্যাটিং গভীরতা তাদের স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহ করার সুযোগ তৈরি করে। স্পিন বোলিংয়েও ভারত ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী এবং মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
পেস আক্রমণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত নিজেদের সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ৯৬ রানের জয় ভারতের বড় ম্যাচে পারফরম্যান্সের একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ। ওয়ানডেতে ১২৩ ম্যাচে ৬৩টি জয় এবং টি-টোয়েন্টিতে ৩১ ম্যাচে ১৯টি জয় ভারতের সামগ্রিক শক্তির প্রতিফলন। তবে নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে খেলা হলে সুইং ও সিম বোলিং সামলানো ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকে।
নিউজিল্যান্ডের শক্তির জায়গা ওপারফর্মেন্স
নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গাগুলোর একটি হলো দলীয় ভারসাম্য এবং চাপের মুহূর্তে শান্ত থাকার ক্ষমতা। তাদের পেস বোলিং আক্রমণ বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে ব্যাটারদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। নতুন বলে সুইং এবং সিমের ব্যবহার তাদের বোলিং আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ব্যাটিংয়েও নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা পরিস্থিতি অনুযায়ী আক্রমণাত্মক ও নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেট খেলতে পারেন।
ভারতের বিপক্ষে ২০২৪ সালের টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় তাদের সাম্প্রতিক টেস্ট সাফল্যের বড় উদাহরণ। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতাও তাদের সীমিত ওভারের সক্ষমতা দেখায়। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাঁচ ম্যাচের একটি ম্যাচে তারা ভারতকে ৫০ রানে হারিয়েছিল। তাই সামগ্রিক হেড টু হেডে পিছিয়ে থাকলেও নিউজিল্যান্ড ভারতের বিপক্ষে বিভিন্ন সময়ে ম্যাচ ও সিরিজ জয়ের সক্ষমতা দেখিয়েছে।
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত হার-জয়ের শতাংশ
| ফরম্যাট | ভারত জয় % | ভারত হার % | নিউজিল্যান্ড জয় % | নিউজিল্যান্ড হার % |
|---|---|---|---|---|
| টেস্ট | ৩৩.৮৫% | ২৪.৬২% | ২৪.৬২% | ৩৩.৮৫% |
| ওয়ানডে | ৫১.২২% | ৪২.২৮% | ৪২.২৮% | ৫১.২২% |
| টি-টোয়েন্টি | ৬১.২৯% | ৩৫.৪৮% | ৩৫.৪৮% | ৬১.২৯% |
| মোট | ৪৭.৪৯% | ৩৬.০৭% | ৩৬.০৭% | ৪৭.৪৯% |
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত —সর্বশেষ ৫ ম্যাচের ফলাফল
শেষ পাঁচ ম্যাচের ফলাফল দেখলে দুই দলের সাম্প্রতিক লড়াই বেশ আকর্ষণীয়। এই পাঁচ ম্যাচে ভারত জিতেছে দুইটি এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে তিনটি ম্যাচ। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড প্রথমে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয়। একই বছরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত প্রথম দুই ম্যাচসহ চারটি ম্যাচ জিতে নেয়।
নিউজিল্যান্ড অবশ্য সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে ৫০ রানে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্য দেখায়। এরপর ৮ মার্চ ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত ৯৬ রানে নিউজিল্যান্ডকে হারায়। ফলে সাম্প্রতিক পাঁচ ম্যাচের ফলাফল নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৩-২ হলেও বড় মঞ্চের সর্বশেষ ম্যাচে ভারতের জয় রয়েছে।
| তারিখ | ফরম্যাট | ফলাফল |
|---|---|---|
| ৮ মার্চ ২০২৬ | টি-টোয়েন্টি | ভারত ৯৬ রানে জয়ী |
| ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | টি-টোয়েন্টি | ভারত ৪৬ রানে জয়ী |
| ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ | টি-টোয়েন্টি | নিউজিল্যান্ড ৫০ রানে জয়ী |
| ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ওয়ানডে | নিউজিল্যান্ড ৪১ রানে জয়ী |
| ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ওয়ানডে | নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী |
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত — কোন দল এগিয়ে?
সামগ্রিক আন্তর্জাতিক হেড টু হেড পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারত নিউজিল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ভারত ১০৪টি ম্যাচ জিতেছে, যেখানে নিউজিল্যান্ডের জয় ৭৯টি। টেস্টে ভারতের জয় ২২টি, ওয়ানডেতে ৬৩টি এবং টি-টোয়েন্টিতে ১৯টি। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের জয় টেস্টে ১৬টি, ওয়ানডেতে ৫২টি এবং টি-টোয়েন্টিতে ১১টি।
তবে সাম্প্রতিক ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ড ভারতের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে। আবার ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত ৯৬ রানে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। তাই পুরোনো ও সামগ্রিক রেকর্ড ভারতের পক্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর ফলাফল দুই দলের লড়াইকে একতরফা নয়, বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরে।
ভবিষ্যৎ ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজ
২০২৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ভারত পূর্ণাঙ্গ সফর করবে। নির্ধারিত সূচিতে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি, পাঁচটি ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট ম্যাচ রয়েছে। প্রথম টি-টোয়েন্টি ২২ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এরপর ৪ নভেম্বর থেকে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ ১৯ নভেম্বর ওয়েলিংটনে এবং দ্বিতীয় ম্যাচ ২৭ নভেম্বর ক্রাইস্টচার্চে নির্ধারিত রয়েছে।
এই ১২ ম্যাচের সফরটি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সফরগুলোর একটি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। যেহেতু ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এসব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি, তাই বর্তমান হেড টু হেড রেকর্ডে এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সিরিজ শেষ হলে দুই দলের টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যানে নতুন পরিবর্তন আসবে।
উপসংহার
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত হেড টু হেড পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে সামগ্রিকভাবে ভারতের জয়সংখ্যা বেশি। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ২১৯ ম্যাচে ভারত জিতেছে ১০৪টি এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৭৯টি। টেস্টে ভারত ২২-১৬ ব্যবধানে এবং ওয়ানডেতে ৬৩-৫২ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ব্যবধান আরও বেশি, যেখানে তারা ১৯-১১ ব্যবধানে এগিয়ে। তবে নিউজিল্যান্ড ২০২৪ সালের টেস্ট সিরিজে ভারতকে ৩-০ এবং ২০২৬ সালের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সাম্প্রতিক সাফল্যের নজির তৈরি করেছে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল এবং ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। ফলে ঐতিহাসিক রেকর্ড ভারতের পক্ষে থাকলেও দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ড নিয়মিতভাবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করেছে। ২০২৬ সালের শেষদিকে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নির্ধারিত ১২ ম্যাচের সফর এই হেড টু হেড ইতিহাসে আরও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ করতে পারে।
আরও পড়ুন ঃ ইংল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা: মুখোমুখি পরিসংখ্যানে এগিয়ে কোন দল?
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত প্রশ্ন:FAQ
প্রশ্ন: নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত মোট কতটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে?
উত্তর: ২১৯টি।
প্রশ্ন: ভারত কতটি ম্যাচ জিতেছে?
উত্তর: ১০৪টি।
প্রশ্ন: নিউজিল্যান্ড কতটি ম্যাচ জিতেছে?
উত্তর: ৭৯টি।
প্রশ্ন: টেস্টে কোন দল এগিয়ে?
উত্তর: ভারত, ২২-১৬ ব্যবধানে।
প্রশ্ন: ওয়ানডেতে কোন দল এগিয়ে?
উত্তর: ভারত, ৬৩-৫২ ব্যবধানে।
প্রশ্ন: টি-টোয়েন্টিতে কোন দল এগিয়ে?
উত্তর: ভারত, ১৯-১১ ব্যবধানে।
প্রশ্ন: নিউজিল্যান্ড কি ২০২৪ সালে ভারতকে টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ৩-০ ব্যবধানে।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে কে জিতেছিল?
উত্তর: ভারত, ৯৬ রানে।